আমরা সবাই ফেসবুক ব্যবহার করি । অনেকেই অবসর সময়টা ফেসবুকে ব্যায় করি ।আমরা প্রতিনিয়ত প্রেম ভালোবাসা ,কষ্ট, জীবন মুখী, রাজনিতী , সংস্কৃতি নিয়ে হাজার হাজার স্টাটাসের মাঝে একটা ইসলামিক স্টাটাসের খোজ করি । হ্যা আমাদের একজন মুসলিম হিসেবে উচিৎ সব ক্ষেত্রে ইসলামকে তুলে ধরা । বর্তমানের এই অশ্লীল সোসাল মিডিয়ায় একটু আলো ছড়িয়ে দেওয়া আমাদের দায়িত্ব । হোক সেটা স্টাটাসের মাধ্যমে অথবা ভিডিও চিত্রের মাধ্যমে ।
![]() |
| ইসলামিক স্টাটাস বাংলা |
কুরআন ও হাদীস থেকে এবং বিখ্যাত ইসলামি মনিষীদের ইসলামিক উক্তি নিয়েই আজকের রচনা “ইসলামিক স্টাটাস বাংলা ” শিরোনামে ।
মুখের ভাষা নিয়ে ইসলামিক স্টাটাস
কেননা সত্য ভালো কাজের পথে পরিচালিত করে ।
২. আবু হুরায়রা (রা.) বলেন,
৪. আল্লাহ তায়ালা বলেন ,
৫. আল্লাহ তায়ালা বলেন ,
৬. আল্লাহ তায়ালা বলেন :
তোমার পালনকর্তা আদেশ করেছেন যে , তাঁকে ছাড়া অন্য কারো ইবাদাত করো না এবং পিতা মাতার সাথে সদ্ব্যবহার কর । তাদের মধ্যে কেউ অথবা উভয় যদি তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হয় তবে তাদের উহ শব্দটিও বলোনা এবং তাদেরকে ধমক দিওনা , তাদেরকে শিষ্টাচারপূর্ণ কথা বল। সূরা- বনি ইসরাইল ২৩ ।
৭. আল্লাহ তায়ালা বলেন ,
এরা হল সেই সমস্ত লোক যাদের মনের গোপন বিষয় সম্পর্কেও আল্লাহ তায়ালা অবগত । অতএব আপনি তাদেরকে উপেক্ষা করুন এবং ওদেরকে সদুপদেশ দিয়ে এমন কোন কথা বলুন যা তাদের জন্য কল্যানকর ।সূরা নিসা-৬৩ ।
৮. আল্লাহ তায়ালা বলেন ,
আমরা যা বলি আমল লেখক সম্মানিত ফেরেশতাগন তা রেকর্ড করেন। সূরা ইনফিতর - ১০।
৯. আল্লাহ তায়ালা বলেন ,
যে বিষয়ে তোমার কোন জ্ঞান নাই সে বিষয়ে অনুমান করে কথা বলো না । কেননা কর্ন চক্ষু হৃদয় ওদের প্রত্যেকের বিষয় কৈফিয়ত তলব করা হবে ।সূরা বনি ইসরাইল -৩৬ ।
১০. আবু হুরায়রা (রা.) বলেন ,
রাসূল (স.) বলেছেন -- কুস্তিতে প্রতিপক্ষকে হারিয়ে জয় লাভ করাতে বীরত্ব নেই বরং ক্রোধ ও রাগের মুহুর্তে নিজেকে সংবরন করতে পারাই বীরত্বের লক্ষন ।
![]() |
| ইসলামিক স্টাটাস বাংলা |
১. আলী (রা.) বলেন ,
মানুষের মনের মধ্যে এমন ভাবে জায়গা করে নাও যেন তুমি মরে গেলে
তোমার জন্য তারা দোয়া করে আর বেঁচে থাকলে তেমাকে ভালোবাসে ।
২. আল্লাহ তায়ালা বলেন ,
আমি যখন মানুষকে নিয়ামত দান করি , তখন সে মুখ ফিরিয়ে নেয় ও পাশ কাটিয়ে যায় । আর যদি কোন অনিষ্ট তাকে স্পর্শ করে , তখন সে হতাশ হয়ে পরে । সূরা ইসরা -৮৩ ।
৩. আল্লাহ তায়ালা বলেন ,
তোমরা যারা নিজেদের প্রতি অিবিচার করেছো , তোমরা আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে নিরাশ হয়ো না । নিশ্চই আল্লাহ সকল গুনাহ কাষমা করে দেন । নিশ্চই তিনি অতি ক্ষমাশীল পরম দয়ালু ।সূরা জুমার --৫৩ ।
৪. আল্লাহ তায়ালা বলেন ,
হে ঈমনদারগণ! তোমরা ধৈর্য ধারন করো এবং দৃঢ়তা অবলম্বন করো আর আল্লাহকে ভয় করাে ,যাতে তোমরা সফল হতে পারো । সূরা আরে ইমরান --২০০।
৫. আল্লাহ তায়ালা বলেন ,
তোমরা হতাশ হয়ো না এবং দূঃখ করো না , যদি তোমরা মুমিন হও , তবে তোমরা জয়ী হবেই ।সূরা আলে ইমরান -- ১৩৯ ।
৬. আল্লাহ তায়ালা বলেন ,
তিনি অসহায়ের আহ্বানে সাড়া দেন যখন সে তাকে ডাকে এবং তিনি বিপদ -আপদ দূর করে দেন । সূরা নামল -- ৬২ ।
৭. কোরআনের মহাবাণী ,
কষ্টের সঙ্গেই তো স্বস্তি আছে , নিশ্চই কষ্টের সঙ্গেই স্বস্তি রয়েছে । সূরা ইনশিরাহ -- ৫-৬।
৮. ইয়াকুব (আ.) বলেন ,
হে আমার সন্তানেরা ! তোমরা যাও , ইউসুফ ও তার ভাইয়ের সন্ধান করো ।তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না । নিশ্চিত জেনো , আল্লাহর রহমত থেকে তো অবিশ্বাসী কাফের ছাড়া অন্য কেউ নিরাশ হতে পারে না । সূরা ইউসুফ -- ৮৭ ।
৯. আল্লাহ তায়ালা বলেন ,
ধৈর্য ধারন করে, নামাযের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য কামনা করো ।অবশ্য তা কঠিন ;শুধু বিনয়ী লোকদের পক্ষেই তা সম্ভব। সূরা বাকারা --৪৫ ।
১০. আল্লাহ তায়ালা বলেন ,
যারা বিশ্বাস করে এবং তাদের অন্তরগুলো আল্লাহর জিকির দ্বারা প্রশান্তি লাভ করে ,জেনে রাকো , আল্লাহর স্মরন দ্বারা অন্তর শান্তি পায় । সূরা রাআদ --২৮ ।
১১. আল্লাহ তায়ালা বলেন ,
আমি তো আমার দুঃখ ও অস্তিরতা গুলো আল্লাহর সমীপেই নিবেদন করছি । সূরা ইউসুফ --৮৬ ।
১২. মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন ,
আল্লাহ কোন ব্যক্তির উপর তার সাধ্যের চাইতে বেশি বোঝা চাপিয়ে দেন না । সূরা বাকারা --২৮৬ ।
১৩. তিনি আরো ইরশাদ করেন ,
এবং আমি অবশ্যই তোমাদের পরীক্ষা করবো কিছুটা ভয় ,ক্ষুধা ,মাল ও জানের ক্ষতি ও ফল ফসল বিনষ্টের মাধ্যমে ।তবে সুসংবাদ দাও দৈর্যশীলদের ।সূরা বাকারা --১৫৫।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন